Print

আবার গাজায় ইসরাইলের বিমান ও ট্যাংক হামলা

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Tuesday, December 12, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27930

আবার গাজায় ইসরাইলের বিমান ও ট্যাংক হামলা

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারো ইহুদিবাদী ইসরাইল বিমান হামলা ও ট্যাংকের গোলাবর্ষণ করেছে। ইরানের প্রেস টিভি জানিয়েছে, গতকাল (সোমবার) একদিনেই দু দফা হামলা চালায় ইসরাইল।

ইসরাইল দাবি করেছে, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের কয়েকটি অবস্থানে এসব হামলা চালানো হয়। বরাবরের মতোই এবারো ইসরাইল বলেছে, গাজা থেকে রকেট হামলার জবাবে তারা বিমান ও ট্যাংক দিয়ে হামলা চালায়।

চলতি সপ্তাহে ইসরাইল বেশ কয়েক দফা বিমান হামলা চালালো। বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা নিয়ে যখন ফিলিস্তিনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে তখন ইসরাইল অনেকটা নিয়মিতভাবে গাজা উপত্যকার ওপর বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইহুদিবাদী সেনাদের এসব হামলার জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করেছে হামাস।

২০০৭ সাল থেকে গাজা উপত্যকার ওপর অবরোধ দিয়ে রেখেছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। এর ফলে গাজার জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। খাদ্য ও ওষধুসহ জরুরি পণ্য পাওয়ার কোনো ব্যবস্থাই গাজাবাসীর জন্য খোলা নেই। উপায়হীন হয়ে হামাস ও অন্য কয়েকটি সংগঠন মাটির নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গপথ খুঁড়ে কিছু কিছু পণ্য আনার ব্যবস্থা করে থাকে। গাজাকে এখন বলা হচ্ছে-বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার।

বিশ্লেষণও নোট :

জায়নবাদি ইসরাইল

|

হামলা

|

গাজা

|

Print

হামাস নেতাকে ফোন করলেন রুহানি, ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ডাক

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Tuesday, December 12, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27929

হামাস নেতাকে ফোন করলেন রুহানি, ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ডাক

 ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি। এসময় দু নেতা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান উত্তেজনা এবং প্রাসঙ্গিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জনগণ ও প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো এবং অন্য মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে নিশ্চিতভাবে মার্কিন ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে।

গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনের বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া প্রচণ্ড উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট রুহানি ও হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার মধ্যে গতকাল (সোমবার) এ ফোনালাপ হলো।

প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যে অপমানজনক পদক্ষেপ নিয়েছেন তা অত্যন্ত বিদ্বেষপূর্ণ এবং এর বিরুদ্ধে ফিলিস্তিন ও মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। তিনি আরো বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ ঘোষণার মধ্যদিয়ে পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, তারা আদৌ সরকারিভাবে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার স্বীকার করে না। এ সময় তিনি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোকে ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকার জঘন্য ষড়যন্ত্রের কঠোর জবাব দেয়ার আহ্বান জানান।

ফোনালাপে হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার মাধ্যমে মুসলমানদের অধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনের জনগণ কখনো ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকাকে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে দেবে না। কারণ বায়তুল মুকাদ্দাস ফিলিস্তিন ও মুসলমানদের। ফোনালাপে হামাস প্রধান আরো বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে নতুন ইন্তিফাদা বা গণজাগরণ শুরু হয়েছে এবং ফিলিস্তিনিরা জোরালোভাবে তা অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তারা ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে উল্লেখ করেন ইসমাইল হানিয়া।# 

বিশ্লেষণও নোট :

ইরানের প্রেসিডেন্ট

|

ফিলিস্তিনি

|

ইরান

|

Print

কোরআন মানুষকে অন্ধকার থেকে মুক্তি দেয়: গবেষক

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Tuesday, December 12, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27928

কোরআন মানুষকে অন্ধকার থেকে মুক্তি দেয়: গবেষক

মায়ারেফ বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মাহমুদ জাওয়াদ আলী আকবারি বলেছেন যে, পবিত্র কোরআন হচ্ছে এমনই এক আসমানি কিতাব; যা মানুষকে অজ্ঞতা ও মূর্খতার অভিশাপ থেকে মুক্তি দান করে এবং গোমরাহি থেকে মুক্তি দিয়ে হেদায়েতের পথে পরিচালিত করে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন মাহমুদ জাওয়াদ আলী আকবারি আজ মঙ্গলবার পবিত্র কোরআনের তাফসীর অনুষ্ঠানে বলেছেন যে, আজকের পৃথিবীর মানুষ যত মুসিবাত ও বিপদাপদের শিকার তার একমাত্র কারণ হচ্ছে পবিত্র কোরআনের শিক্ষা ও আলো থেকে দূরে সরে যাওয়া। আজ প্রায়  সকলের ঘরে পবিত্র কোরআন রয়েছে কিন্তু সে কোরআন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা কিংবা কোরআনের তাফসীর পড়ার অভ্যাস অধিকাংশের মধ্যে নেই।

তিনি বলেন: কোরআন এমনই এক আসমানি কিতাব; যে কিতাবকে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা মানুষকে হেদায়েত ও দিকনির্দেশনার উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছেন। কোরআন সর্বশেষ আসমানি কিতাব এবং এ কিতাবে আল্লাহ তায়ালা মানুষের প্রয়োজনীয় যাবতীয় বিষয়াদির যথাযথ সমাধান দিয়েছেন। কিন্তু মানুষ আল্লাহর এ মহান নেয়ামত থেকে নিজেদেরকে বঞ্চিত করে আজ পথহারা হয়ে পড়েছে এবং কোরআনের আলো ও নুর থেকে দূরে সরে গেছে।   

বিশ্লেষণও নোট :

কোরআনের শিক্ষা

|

পবিত্র কোরআনের

|

পবিত্র

|

Print

ট্রাম্পের উম্মাদ সিদ্ধান্ত ইসরাইলের পতন ডেকে আনবে

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Tuesday, December 12, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27926

ট্রাম্পের উম্মাদ সিদ্ধান্ত ইসরাইলের পতন ডেকে আনবে

আন্তর্জাতিক বিভাগ: গতকাল বিকেলে লেবাননে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ জেরুজালেম খ্যাত কুদস শহর রক্ষার পক্ষে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কুদসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত ওই বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেয়ার জন্য হিজবুল্লাহর মহাসচিব জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।

মিছিলকারীরা ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয় এবং নিন্দা ও ক্ষোভের বাণীবাহী বিচিত্র প্ল্যাকার্ড বহন করে। তারা কুদস শহরকে ফিলিস্তিনের স্থায়ী রাজধানী বলে শ্লোগান দেয়।

গতকালের ওই বিশাল জনসমাবেশে সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন। লেবাননসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফিলিস্তিনীদের পক্ষে সংঘটিত সাম্প্রতিক বিক্ষাভে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিক্ষোভ প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে হবে।

হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, ট্রাম্প ভেবেছিল "কুদস"কে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দিলে সারা বিশ্ব তার পাশে এসে দাঁড়াবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো বিশ্বব্যাপী সংঘটিত প্রতিবাদ বিক্ষোভের ঘটনায় ট্রাম্প কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। ট্রাম্পের ওই সিদ্ধান্তকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের চূড়ান্ত পতনের সূচনা বলে হাসান নাসরুল্লাহ মন্তব্য করেন।

এতো অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভের যে ঝড় উঠেছে তাতে সমগ্র ফিলিস্তিনে নতুন করে ইন্তিফাদা গণজাগরণ সৃষ্টি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা। হিজবুল্লাহ মহাসচিবের বক্তব্যে ইসরাইলের ধ্বংসের কথা দৃঢ়তার সঙ্গে উচ্চারিত হয়েছে। কুদস সম্পর্কে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ইসরাইলের সেই "পতনের ঘণ্টা" বেজে উঠেছে।

কুদসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেয়া এবং তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস কুদস শরীফে স্থানান্তরের ঘোষণা নজিরবিহীন একটি ঘটনা। আমেরিকা এই ঘোষণা দিয়ে ইসরাইলকে স্থায়িত্ব দিতে চেয়েছিল। কিন্তু ফলাফল হলো বিপরীত। বুদ্ধিজীবী এবং চিন্তাবিদ মহলেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্বয়ং মার্কিন রাজনীতি বিজ্ঞানী প্রফেসর জন মেরশেইমার বলেছেন, মার্কিন সরকার কুদসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেয়ার সিদ্ধান্তটা ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতির মারাত্মক একটি ভুল।

আমেরিকা যেভাবে একচেটিয়া ইসরাইলের পক্ষ নিয়েছে তা প্রমাণ করেছে মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ করে ফলিস্তিন সংকট সমাধানে মধ্যস্থতার জন্য ওয়াশিংটন মোটেই বিশ্বস্ত বা গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের পতনের প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত হলো।

কিছুদিন আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ বলেছিল: ইসরাইল আর বেশিদিন টিকবে না। মার্কিন বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাতেও এই সত্যটি উঠে এসেছে।

বিশ্লেষণও নোট :

ট্রাম্পের

|

ইহুদি

|

ইহুদিবাদি ইসরাইল

|

Islamic News