Print

দান ও পরোপকার আয়ু বৃদ্ধির কারণ হয়

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Wednesday, December 13, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27934

দান ও পরোপকার আয়ু বৃদ্ধির কারণ হয়

মায়ারেফ বিভাগ: ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী যেমনভাবে নেক কর্ম সম্পাদন, সমাজের মানুষের প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ এবং দান ও পরোপকার মানুষের আয়ু বৃদ্ধির কারণ হয়; অনুরূপভাবে জুলুম, অবিচার, গুনাহ এবং আল্লাহর নাফরমানি মানুষের আয়ু হ্রাসের কারণ হয়।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন সাইয়েদ সাজ্জাদ হাশিমিয়ান গতকাল এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বলেন: এ পৃথিবীতে মানুষের প্রত্যেকটি আমল চাই তা ভাল কিংবা মন্দ হোক না কেন; উক্ত আমলের ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এ প্রভাব সে ব্যক্তির দুনিয়া ও পরকালের জীবনসহ সমাজ ও পরিবেশের উপরও প্রভাব ফেলে।

তিনি বলেন: একজন মু’মিন ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি কখনও নাফসের তাড়নার যে কোন কাজে নিজেকে লিপ্ত করে না; বরং মু’মিন ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশিত পথে পরিচালিত হয় এবং আল্লাহ যে কর্ম থেকে বিরত থাকার আদেশ করেছেন, সেগুলো থেকে সে নিজেকে বিরত রাখে।

তিনি ইমাম জাফর সাদীকের একটি হাদীস বর্ণনা করে বলেন: এ পৃথিবীতে নেক আমল এবং অনের প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ মানুষের আয়ুকে বর্ধিত করে পক্ষান্তরে অন্যায় ও পাপ কর্ম এবং অপরের প্রতি জুলুম ও অবিচার মানুষকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। কাজেই আমাদের সতর্ক থাকা উচিত যাতে অন্যায় ও জুলুমে লিপ্ত হয়ে নিজেদেরকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে না দেই।

বিশ্লেষণও নোট :

দান

|

নেক কর্ম

|

মানুষের আত্মশুদ্ধি

|

Print

মুসলিম জাহানের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে: রুহানি

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Wednesday, December 13, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27933

মুসলিম জাহানের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে: রুহানি

রাজনীতি বিভাগ: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, ফিলিস্তিনের পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ঘোষণা দিয়েছেন তা রুখে দিতে মুসলিম জাহানের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

ড. রুহানি আরো বলেছেন, ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই মুসলিম দেশগুলো দ্রুত যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তা মার্কিন প্রশাসনের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় তুলে ধরেছে এবং ওআইসি'র শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠানকে ট্রাম্পের ভুল পদক্ষেপের বিপরীতে সঠিক পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "বেলফোর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যে ক্ষতের শুরু হয়েছিল একশ' বছর ধরে তার ব্যথা অনুভব করছে মুসলমানেরা এবং ট্রাম্পের বেআইনি ঘোষণার মধ্যদিয়ে এখন নতুন অধ্যায়ের শুরু হয়েছে। কিন্তু সমস্ত উপায় অবলম্বন করে আমেরিকার এই অভদ্রোচিত পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।"

প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, "কোন উপাদান ও কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এ ধরনের নিষ্ঠুর এবং ধর্ম অবমাননাকর সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করেছে তাও আমাদেরকে খুঁজে বের করতে হবে। তবে আমি বিশ্বাস করি, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে কিছু দেশের  সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এমনকি, ইসরাইলের সঙ্গে পরামর্শ ও সহযোগিতা করার ঘটনা ট্রাম্পকে এ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে।"

হাসান রুহানি বলেন, ইসরাইলকে মোকাবেলার পরিবর্তে আমাদের অঞ্চলের কিছু দেশ ফিলিস্তিনি জনগণের ভাগ্য নির্ধারণের বিষয়ে আমেরিকা ও ইহুদিবাদীদের সঙ্গে জোট করে চলেছে। এ ধরনের তৎপরতায় ইসরাইল স্থায়ীভাবে ফিলিস্তিনের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে এবং চেপে ধরবে। তিনি ইহুদিবাদীদের বিপজ্জনক প্রকল্প সম্পর্কে মুসলিম দেশগুলোকে সতর্ক করেন।

প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, গত কয়েক দশক ধরে ইসরাইলি সেনারা ফিলিস্তিনিদের হত্যা ও নির্যাতন করে আসছে এবং তার প্রতি আমেরিকা অন্ধ সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই আমেরিকাকে ফিলিস্তিন ইস্যুতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এটা খুবই পরিষ্কার যে, আমেরিকা কখনো সৎ মধ্যস্থতাকারী ছিল না এবং কখনো হবেও না।

বিশ্লেষণও নোট :

প্রেসিডেন্ট রুহানির

|

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানির ভাষণ

|

ইরান

|

Print

<div>&amp;#2439;&amp;#2488;&amp;#2509;&amp;#2468;&amp;#2494;&amp;#2478;&amp;#2509;&amp;#2476;&amp;#2497;&amp;#2482;&amp;#2503; &amp;#2451;&amp;#2438;&amp;#2439;&amp;#2488;&amp;#2495;'&amp;#2480; &amp;#2460;&amp;#2480;&amp;#2497;&amp;#2480;&amp;#2495; &amp

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Wednesday, December 13, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27932

ইস্তাম্বুলে ওআইসি'র জরুরি সম্মেলনে শুরু

রাজনীতি বিভাগ: তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি'র শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। বিশ্বের মুসলিম প্রধান দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান ছাড়াও এ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৬ ডিসেম্বর ফিলিস্তিনের পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিবাদ জানাতে এবং মুসলিম দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণের জন্য এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তুরস্ক হচ্ছে ওআইসি'র বর্তমান সভাপতি দেশ।

ওআইসি'র সম্মেলনে এরইমধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বক্তব্য রেখেছেন। তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করে প্রমাণ করেছেন যে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে কথিত দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ক্ষেত্রে আমেরিকা মোটেই বিশ্বাসযোগ্য মধ্যস্থতাকারী নয়।

বিশ্বের ৫৭টি দেশের প্রতিনিধি এ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, বায়তুল মুকাদ্দাস হচ্ছে মুসলামনাদের জন্য 'রেড লাইন'। তিনি ইসরাইলকে দখলদার রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যা দেন।

ওআইসি'র সম্মেলনে ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, "এখন থেকে ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়ায় আমেরিকার কোনো ভূমিকা মেনে নেবেন না তারা।"

বিশ্লেষণও নোট :

ওআইসি মহাসচিব

|

ওআইসি সম্মেলন

|

ওআইসি

|

Print

হামাসকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Tuesday, December 12, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27927

হামাসকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের

রাজনীতি বিভাগ: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র আল-কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলায়মানি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি তেহরানের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদ্দিন আল-কাসসামের কমান্ডারের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে তিনি এ সমর্থনের কথা নতুন করে নিশ্চিত করেন। ফোনালাপে আইআরজিসি’র শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডার মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি প্রতিরোধ আন্দোলনকে পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস ও আল-আকসা মসজিদ রক্ষার জন্য তাদের প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জানান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনের বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া প্রচণ্ড উত্তেজনার মধ্যে জেনারেল সোলায়মানি এ আহ্বান জানালেন।

এর আগে গতকাল হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদ্দিন কাসসাম ব্রিগেড ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিমান হামলার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার করেছে। গত শুক্রবার অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামাস যোদ্ধাদের ওপর ইসরাইল কয়েক দফা হামলা চালায় এবং এতে হামাসের দুই যোদ্ধা শহীদ ও ১৪ জন আহত হন।

কাসসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে বলেছে, "শত্রুরা চুক্তির নিয়ম লঙ্ঘন করে গাজার ওপর যে হামলা চালিয়েছে তার মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে।" হামাস আরো বলেছে, "আগামী দিনগুলোতে প্রমাণ হবে যে, শত্রুরা মারাত্মক ভুল করেছে এবং তারা হামাসের প্রতিশ্রুতি দেখতে পাবে।"#

বিশ্লেষণও নোট :

ইরানের

|

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী

|

ইরান

|

Print

আবার গাজায় ইসরাইলের বিমান ও ট্যাংক হামলা

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Tuesday, December 12, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27930

আবার গাজায় ইসরাইলের বিমান ও ট্যাংক হামলা

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারো ইহুদিবাদী ইসরাইল বিমান হামলা ও ট্যাংকের গোলাবর্ষণ করেছে। ইরানের প্রেস টিভি জানিয়েছে, গতকাল (সোমবার) একদিনেই দু দফা হামলা চালায় ইসরাইল।

ইসরাইল দাবি করেছে, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের কয়েকটি অবস্থানে এসব হামলা চালানো হয়। বরাবরের মতোই এবারো ইসরাইল বলেছে, গাজা থেকে রকেট হামলার জবাবে তারা বিমান ও ট্যাংক দিয়ে হামলা চালায়।

চলতি সপ্তাহে ইসরাইল বেশ কয়েক দফা বিমান হামলা চালালো। বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা নিয়ে যখন ফিলিস্তিনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে তখন ইসরাইল অনেকটা নিয়মিতভাবে গাজা উপত্যকার ওপর বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইহুদিবাদী সেনাদের এসব হামলার জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করেছে হামাস।

২০০৭ সাল থেকে গাজা উপত্যকার ওপর অবরোধ দিয়ে রেখেছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। এর ফলে গাজার জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। খাদ্য ও ওষধুসহ জরুরি পণ্য পাওয়ার কোনো ব্যবস্থাই গাজাবাসীর জন্য খোলা নেই। উপায়হীন হয়ে হামাস ও অন্য কয়েকটি সংগঠন মাটির নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গপথ খুঁড়ে কিছু কিছু পণ্য আনার ব্যবস্থা করে থাকে। গাজাকে এখন বলা হচ্ছে-বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার।

বিশ্লেষণও নোট :

জায়নবাদি ইসরাইল

|

হামলা

|

গাজা

|

Islamic News