Print

Соединенные Штаты согласны с президентством Башара Асада до 2021 года

Service test Time :   Wednesday, December 13, 2017 News Code : 6717

 

Новостное агентство Шабистан сообщает, что согласно источникам журнала The New Yorker среди европейских и американских официальных лиц,  Администрация Дональда Трампа готова принять власть президента Башара Асада до следующих президентских выборов в Сирии в 2021 году.

 Подчёркивая важность этого решения, каждый раз  отставку  Асада мирным путём, как одного из ключевых элементов урегулирования, Соединенные Штаты отступают назад» - сообщает издание.

В статье говорится, что, обеспечение Москвы  Башар Асада воздушной поддержкой, стало поворотным моментом и позволило президенту Сирии сохранить свои полномочия.

 Согласно источникам журнала, Американские официальные лица также обеспокоены тем, что Асад каким-то путём выиграет выборы в Сирии в 2021 году и останется у власти.

Журнал New Yorker так прокомментировал комментарии американских и европейских официальных лиц: «Этот шаг демонстрирует победы сирийских союзников, которые активно укрепляют позицию сирийского руководства, в том числе движение Хизбуллаы  России, Ирана и Ливана, а также военные реалии на бою.

Соединенные Штаты потратили более 14 миллиардов долларов на войну с Сирией с 2014 года. США должен признать реальность, что правительство Башар аль-Асада останется у власти не менее четырех лет »

 Журнал, установление мира в оппозиции или отступление Асада от власти за политический переход в  качестве предварительного условия,  писал: »Дипломатический  Вашингтон устраняет  управляющую мирным процессом, трёхстороннюю  силу  Россию, Иран и Турцию»   

http://675562

Key words:

что Асад каким-то путём выиграет выборы в Сирии в 2021 году и останется у власти

|

14 миллиардов долларов на войну с Сирией с 2014 года

|

Соединенные Штаты согласны с президентством Башара Асада до 2021 года

|

Print

Завершение седьмого национального конкурса по Корану в мечеть Куфа

Service test Time :   Wednesday, December 13, 2017 News Code : 6716

Новостное агентство Шабестан со ссылкой на официальную веб-страницу мечети Куфы сообщает, что седьмой национальный конкурс по Корану в мечети Куфы в Ираке достиг своего конца. Конкурс начался 8 декабря 2017 года в Мусульманском Братстве Муслим ибн Акил в мечети Куфа.

В этом соревновании, 21 чтецов и 15 человек, которые запомнили наизусть стихи Корана, будут соревноваться друг с другом. Соревнование анализирует международное правосудие.

Сайед Адил аль Мариари, ответственное лицо за обучение Корана в мечети Куфы, поздравил участников соревнования в связи с рождением Пророка Мухаммеда (да благословит его Аллах и приветствует!).

Он сказал, что для распространения культуры непорочного Семейства Пророка (мир им!) организуются также религиозные и культурные программы в этой мечети.

Примечательно, что мечеть Куфы - одна из самых святых мечетей. Эта мечеть расположена в городе Куфа, Ирак, и в этой мечети убит Амир аль-Муминин его светлость Али ибн Аби Талиб.

Следует отметить, что конкурсы по Корану должны проводиться во всем мире для улучшения мусульман и исламского общества, и для реализации этой цели ученые должны стараться изо всех сил и пропагандировать эту культуру.

http://674946

Key words:

мечети Куфы в Ираке достиг своего конца

|

В этом соревновании, 21 чтецов и 15 человек,

|

Завершение седьмого национального конкурса по Корану в мечеть Куфа

|

Print

আল্লাহর সান্নিধ্যে উন্নীত হওয়া মানুষ সৃষ্টি প্রধান উদ্দেশ্য

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Thursday, December 14, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27943

আল্লাহর সান্নিধ্যে উন্নীত হওয়া মানুষ সৃষ্টি প্রধান উদ্দেশ্য

মায়ারেফ বিভাগ: মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করে যুগে যুগে তাদের হেদায়েত ও দিকনির্দেশনার জন্য নবী-রাসূল এবং আসমানি কিতাবসমূহ পাঠিয়েছেন, যাতে মানুষ বিপথগামী না হয় এবং অভীষ্ঠ লক্ষে পৌছাতে পারে।

শাবিস্তান বার্তা সংস্থার রিপোর্ট: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন আলী জাভিদান আজ বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন: মানুষের চুড়ান্ত লক্ষ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌছান; আর এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সিরাতাল মুস্তাকিমে পরিচালিত হওয়া আবশ্যক। আর সিরাতাল মুস্তাকিমে পরিচালিত হতে হলে অবস্যই রাসূলের (সা.) জীবনাদর্শ অনুসরণ এবং পবিত্র ইসলামের নির্দেশাবলী যথাযথভাবে মেনে চলা জরুরী। কেননা রাসূলের অনুসরণ ও অনুকরণ ছাড়া কোন অবস্থাতে মানুষ আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে পারবে না।

তিনি বলেন: আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সূরা আলে ইমরানের ৩১ নং আয়াতে রাসূলকে আদেশ করে মানব জাতীর উদ্দেশ্যে বর্ণনা করেছেন যে,

قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

অর্থাৎ হে রাসূল তুমি বলে দাও যে, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালবাসতে চাও তবে আমাকে অনুসরণ কর। তাহলে আল্লাহও তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমালীল ও দয়ালু।

তিনি আরও বলেন: আল্লাহ যদি কোন মানুষকে ভালবাসে, তবে নিশ্চয়ই সে দুনিয়া ও পরকালে মঙ্গল হাসিল করতে পারবে।

বিশ্লেষণও নোট :

আল্লাহর সান্নিধ্য ও সন্তুষ্টি

|

আল্লাহর পক্ষ থেকে

|

আল্লাহর

|

Print

ইহুদিবাদি ইসরাইলের সাথে সৌদির গোপন আতাতের হেতু কি?

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Thursday, December 14, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27942

ইহুদিবাদি ইসরাইলের সাথে সৌদির গোপন আতাতের হেতু কি?

সৌদি আরব ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া আরও জোরদার করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে ইসরাইল সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে ইহুদিবাদী দৈনিক হারেত্‌জ খবর দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার কারণে সারা বিশ্বেই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ চললেও সৌদি আরব তার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। গত এক বছর ধরেই সৌদি আরব ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণত সেসব দেশের শাসকেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, জনগণের মতামত এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায় না। ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সৌদি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। সৌদি শাসক গোষ্ঠী বিশেষকরে যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইসলামবিরোধী এ তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

তবে ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার মূল কারিগর হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ের জামাই ও উপদেষ্টা জেরাড কুশনার। ইহুদি ধর্মাবলম্বী কুশনার ইহুদিবাদীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যুবরাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে রাসুলের জন্মভূমি সৌদি আরবের ওপর মার্কিন ও ইহুদিবাদী প্রভাব শতভাগ নিশ্চিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু'র দিকনির্দেশনায় ট্রাম্পের মেয়ের জামাই কুশনার এসব তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

বর্ণবাদী ইসরাইল সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে তারা গোটা মুসলিম বিশ্বের ওপর প্রভাব ফেলতে চায়। তারা গোটা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের কাছে এ বার্তা পৌঁছে দিতে চায় যে, সৌদি আরব হচ্ছে মুসলিম বিশ্বের নেতা এবং সৌদি আরব যেখানে ইসরাইলকে মেনে নিচ্ছে সেখানে অন্যদের আর আপত্তি থাকা উচিত নয়। কারণ মুসলমানদের প্রধান দুই পবিত্র স্থান সৌদি আরবে থাকায় মুসলমানদের অনেকের মাঝেই দেশটির ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। এ প্রভাবকেই কাজে লাগাতে চায় ইসলামবিরোধী শক্তি।

এরইমধ্যে সৌদি শাসক গোষ্ঠীর ওপর ইহুদিবাদীরা যে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে তা অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গেছে গতকাল অনুষ্ঠিত ওআইসি'র শীর্ষ সম্মেলন থেকে। বায়তুল মুকাদ্দাস ইস্যুতে গতকাল তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওআইসির যে বিশেষ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে তাতে সৌদি রাজা, যুবরাজ এমনকি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীও অংশ নেন নি। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, সৌদি আরব পুরোপুরি ইসরাইলের ফাঁদে আটকা পড়েছে। এর মধ্যদিয়ে সৌদি আরব আসলে মুসলিম বিশ্ব থেকেই নিজেকে আলাদা করে ফেলছে যা কখনোই কোনো মুসলমান প্রত্যাশা করে না।

বিশ্লেষণও নোট :

সৌদি-ইসরাইল

|

সৌদি আরবে

|

ইসরাইলের

|

ইহুদিবাদি ইসরাইল

|

Print

সৌদি যুবরাজকে ইসরাইল সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ

অনুসন্ধান  صفحه اصلی خبر মতামতজরিপ  :   Thursday, December 14, 2017 নির্বাচিত সংবাদ : 27941

সৌদি যুবরাজকে ইসরাইল সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে ইহুদিবাদী ইসরাইল সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে জেরুজালেম আল-কুদসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিবাদে যখন বিশ্বব্যাপী তীব্র বিক্ষোভ চলছে তখন এই আমন্ত্রণ জানানো হলো।

ইসরাইলের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসরায়েল কাট্‌য সৌদি দৈনিক ‘ইলাফ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি সৌদি যুবরাজকে তেল আবিব সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে মোহাম্মাদ বিন সালমানকে ইহুদিবাদীদের সঙ্গে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের আপোষ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করারও আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইলের গোয়েন্দামন্ত্রী।

এর আগে খবর বেরিয়েছিল, মোহাম্মাদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জেরুজালেম সংক্রান্ত ঘোষণার প্রতি সমর্থন জানিয়ে মাহমুদ আব্বাসকে ওই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছেন।

সম্প্রতি আরবি দৈনিক আল-আরাবি আল-জাদিদ খবর দিয়েছিল, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান কয়েক মাস  আগে গোপনে ইসরাইল সফর করেছেন বলে ইহুদিবাদী কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন।

পর্যবেক্ষকরা সৌদি যুবরাজের তেল আবিব সফরের খবরে অবাক হননি। তারা বলছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে জোর প্রচেষ্টা সৌদি আরব চালাচ্ছে তাতে এ ধরনের সফরে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

বিশ্লেষণও নোট :

সৌদি জোট

|

সৌদি

|

সৌদি রাজতন্ত্র

|

Islamic News